আড়ম্বডরহীন বাঘেশ্বরী দেবীর পূজোর আয়োজন বাগনানে
দি নিউজ লায়ন ; প্রতিবছর রাস পূর্ণিমার দিন হাওড়া জেলার বাগনানের কাছারিপাড়ায় ধুমধাম সহকারে পূজিতা হন দেবী বাঘেশ্বরী। এই বছরেও পুজোর আয়োজন হলেও করোনার কারণে অনেকটাই আড়ম্বরহীণ হয়ে পড়েছে এই পুজো।
জনশ্রুতি আছে একদা বাগনানের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত ছিল দামোদর নদী। নদীর পূর্ব ও পশ্চিম পাড় ঘন জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। স্বভাবতই হিংস্র জন্তু জানোয়ারের আতঙ্কে দিন কাটত বাগনানের বাসিন্দাদের। কথিত আছে হিংস্র জন্তু জানোয়ারের হাত থেকে বাঁচতে নদীর পাড়ে গাছের নিচে বনবিবি ও বাঘেশ্বরী দেবীর পুজো শুরু করেন বাসিন্দারা।
পরবর্তী সময় বনবিবির পূজোখাদিনান স্থানান্তরিত হলেও বাঘেশ্বরী দেবীর পুজো বাগনান এই চলতে থাকে। ষোড়শ শতাব্দীর শেষ দিকে জমিদার মতিলাল শীল কাছারিপাড়ায় এই পুজো শুরু করেন।
লোকশ্রুতি অষ্টভূজা ব্যাঘ্রবাহিনী দেবী বাঘেশ্বরী মা চন্ডী মা দুর্গার রূপ।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য জম্মু কাশ্মীরের বৈষ্ণোদেবী বা উত্তর ভারতের বিশালাক্ষী দেবীর সঙ্গে বাঘেশ্বরী দেবীর রূপগত সাদৃশ্য রয়েছে।
পুজো প্রসঙ্গে মন্দির কমিটির সম্পাদক চন্দ্রনাথ বোস জানান প্রতিবছর রাস পূর্ণিমার দিন ধুমধাম সরকারের পুজোর আয়োজন করলেও এই বছর কিছু বিধিনিষেধ মেনে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন এ বছর পুজো দিতে আসা ভক্তদের গাছের চারা উপহার দেওয়া হবে।

Post a Comment